This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৩

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান, নিজের গলায় গুলি চালালেন কনস্টেবল

 দায়িত্ব পালন অবস্থায় নিজ রাইফেলের গুলিতে ফিরোজ আহম্মেদ (২৭) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলা শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে পুলিশ বক্সে এ ঘটনা ঘটে।

সর্বশেষ


পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় কনস্টেবল ফিরোজ আহম্মেদ। ছবি: ইত্তেফাক

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় কনস্টেবল ফিরোজ আহম্মেদ। ছবি: ইত্তেফাক

দায়িত্ব পালন অবস্থায় নিজ রাইফেলের গুলিতে ফিরোজ আহম্মেদ (২৭) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলা শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে পুলিশ বক্সে এ ঘটনা ঘটে।






দৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন


স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর অভিমান করে নিজ রাইফেল দিয়ে গলায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। ফিরোজের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর আফতাবগঞ্জ এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আবু সাঈদের ছেলে।



ঘটনার পর পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদাসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তপক্ষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ছুটে যান। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, ফিরোজ গত ৩১ জুলাই পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকে গার্ডে যোগদান করেছিলন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জেলা শহরের ব্যাংকে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজ রাইফেল দিয়ে গলায় গুলি করেন। এ সময় অন্যান্য সহকর্মীরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ফিরোজকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।



স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর অভিমান করে নিজ রাইফেল দিয়ে গলায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। ফিরোজের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর আফতাবগঞ্জ এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আবু সাঈদের ছেলে।



ঘটনার পর পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদাসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তপক্ষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ছুটে যান। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, ফিরোজ গত ৩১ জুলাই পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকে গার্ডে যোগদান করেছিলন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জেলা শহরের ব্যাংকে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজ রাইফেল দিয়ে গলায় গুলি করেন। এ সময় অন্যান্য সহকর্মীরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ফিরোজকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের পর ফিরোজের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান ওসি। হস্তান্তর করা হবে বলে জানান ওসি।

বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, চাহিদার চেয়ে বাজারে স্যালাইনের সরবরাহ কম

 বাজারে শিরায় দেওয়া স্যালাইনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্যালাইনের চাহিদা বেড়েছে, সেই তুলনায় সরবরাহ নেই। সরকারি কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও ওষুধের দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে স্যালাইনের এই সংকটের কথা জানা গেছে।




শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে, ডায়রিয়া বা কলেরা হলে অথবা কখনো কখনো রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখার জন্য শিরায় দেওয়া স্যালাইন ব্যবহারের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। হঠাৎ ডায়রিয়া বা কলেরা বাড়লে স্যালাইনের চাহিদা কিছুটা বেড়ে যায়। ডেঙ্গু রোগীদেরও নিয়মিত স্যালাইন দিতে হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সালাউদ্দিন শাহ গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের জলীয় অংশ কমে যায়। এতে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি রক্তচাপ কমে যায়।

রক্তের তারল্য ঠিক রাখতে ও রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখতে রোগীকে স্যালাইন দিতে হয়। তিনি বলেন, একজন রোগীকে দিনে এক থেকে দুই লিটার স্যালাইন দিতে হয়, কোনো কোনো রোগীর এর বেশি প্রয়োজন হতে পারে।

একে অপরকে ‘চাপে’ ফেলার কৌশলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি

 রাজনৈতিকভাবে একে অন্যকে চাপে ফেলতে নানামুখী কৌশল নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি। দুই দলেরই মূল লক্ষ্য এখন রাজপথ। বড় জমায়েতসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে ক্ষমতাসীনদের ওপর একধরনের চাপ তৈরি করতে পেরেছে বলে মনে করে বিএনপি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলছে, তাদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কৌশলের কাছে বিএনপি কোণঠাসা হয়ে পড়েছে।

২৯ জুলাই বিএনপির অবস্থান কর্মসূ


চি ব্যর্থ হয়েছে বলেও মনে করে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে বিএনপি বলছে, ক্ষমতাসীনেরা যে হামলা-মামলা ও ভয়ভীতি দেখানোর বাইরে যেতে পারছে না, সেটি শনিবারের অবস্থান কর্মসূচি প্রমাণ করে দিয়েছে।

আগামী নির্বাচনের আগে এক দফার আন্দোলনকে নিজেদের অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে দেখছে বিএনপি। অন্যদিকে শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে নির্বাচন করা সম্ভব না হলে আওয়ামী লীগ অস্তিত্বের সংকটে পড়বে বলে দলটির নেতারা মনে করছেন। ফলে দুই পক্ষই তাদের নিজ নিজ অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় অনমনীয়।

বিএনপি কীভাবে এগোয়, সেটা নজরে রেখেই আমরা কৌশল নিচ্ছি।
আব্দুর রাজ্জাক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, আওয়ামী লীগ

দুই অধিনায়কের বিদায় যে গ্যারেজে

 তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হক, দুজনেরই অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা এসেছে বিসিবি সভাপতির বাসভবনের গ্যারেজেশামসুল হক

আলোচনাটা আগের দিন রাতেই শুরু। কী নিয়ে? কোথায় হবে ‘তামিম-বিসিবি’ সভা, তা নিয়ে। গুলশানের কোনো হোটেলে নাকি মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেই আসবেন সবাই। হয়তো সভাটা হয়ে যাবে অন্য কোথাও। এরপর সংবাদ সম্মেলন হবে আরেক জায়গায়। সংবাদকর্মীদের মধ্যে এই জল্পনাকল্পনা গতকাল সকাল হয়ে দুপুর ও বিকেল পর্যন্ত চলতে থাকে। কোথায় কী হচ্ছে, তা কেউই জানেন না। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যায় জানা গেল সেই জায়গার নাম।

সাবেক ক্যাপটেন তামিম ও মমিনুল হক


এ লেখা যখন পড়ছেন, তখন তো সবাই জানেন সে জায়গাটা কোথায়। জায়গাটা বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের গুলশানের বাসভবনের গ্যারেজ। বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অধিনায়ক কাল বোর্ড সভাপতির বাসভবনে এলেন সন্ধ্যার পর। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুসও ছিলেন। তিনজনের প্রায় দেড় ঘণ্টা সভার পর বোর্ডপ্রধানের গ্যারেজে হলো যৌথ সংবাদ সম্মেলন। সেখানে তামিম জানান, তিনি আর অধিনায়কত্ব করতে চান না।



তামিমের এ ঘোষণা যেন ফিরিয়ে নিয়ে গেল গত বছরের মে মাসে। তখন বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। কিন্তু দলের পারফরম্যান্স ও ফর্ম—দুইয়ের মিশেলে ভীষণ চাপে মুমিনুলের অধিনায়কত্ব। এরপর গত বছরের ৩১ মে বিকেলের দিকে মুমিনুল যান গুলশানের বোর্ডপ্রধানের বাসভবনে। সেদিনও মুমিনুলের সঙ্গে বোর্ডপ্রধানের বৈঠক হয়, এরপর সংবাদ সম্মেলনটা হয় সেই গ্যারেজে। সেখানে মুমিনুল তাঁর অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন, যা অধিনায়ক হিসেবে মুমিনুলের শেষ স্মৃতি হয়ে থাকবে। সেই স্মৃতি নিশ্চয়ই মধুর হওয়ার কথা নয়।


গত বছরের ৩১ মে টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন মুমিনুল

গত বছরের ৩১ মে টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন মুমিনুলফাইল ছবি

এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশ ক্রিকেট দুই সংস্করণে দুজন অধিনায়কের বিদায় দেখল, দুটিরই মঞ্চ বোর্ড সভাপতির বাসার গ্যারেজে। দুদিনই স্বাভাবিকভাবে সাংবাদিকদের ভিড় ছিল সেই গ্যারেজে। আর তা দেখে এক সাংবাদিক গতকাল মজা করে বলছিলেন, ‘ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্যারেজ এটি।’


সংবাদকর্মীদের ভিড় দেখে বোর্ডপ্রধানের বাসার এলাকায় এক অদ্ভুত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। রাস্তা দিয়ে চলাচল করা সাধারণ মানুষের কৌতূহল, উঁকিঝুঁকি বাড়তে থাকে। বাসার নিরাপত্তাকর্মীরাও অপ্রস্তুত হয়ে যান। কাল যেমন সাংবাদিকদের ভিড় দেখে এক নিরাপত্তাকর্মী একটু বিরক্তই হলেন। বিড়বিড় করে বলছিলেন, ‘আজ আমার ডিউটি, আর আজই এ অবস্থা। কপালটাই খারাপ।’ কিছুক্ষণ পর তামিমের গাড়িটা গ্যারেজে প্রবেশ করতে না করতেই সেই নিরাপত্তাকর্মীই নিজের মুঠোফোনের ক্যামেরায় ছবি তোলার চেষ্টা করেন। আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাংবাদিকেরা তা দেখে অবাকই হলেন।


সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল ও তামিমপ্রথম আলো




শুধু কি তা–ই, কাল পাশের বাসা থেকেও লোকজন এসে বোর্ড সভাপতির গ্যারেজে ভিড় করেন। এমনই এক ভদ্রলোক তো সাংবাদিকদের ভিড় দেখে খুবই কৌতূহলী হয়ে উঠলেন। অপেক্ষায় থাকা এক সাংবাদিককে তাঁর প্রশ্ন, ‘আজ শেষ পর্যন্ত কী হতে পারে বলুন তো? তামিম খেলবে না ছেড়ে দেবে?’


বিসিবি সভাপতির বাসভবনের গ্যারেজে সাংবাদিকরা

বিসিবি সভাপতির বাসভবনের গ্যারেজে সাংবাদিকরাপ্রথম আলো

প্রশ্নটা শেষ হতে না হতেই লিফট থেকে বেরিয়ে এলেন নাজমুল, জালাল ও তামিম। তিনজনকে আসতে দেখে এবার সেই ভদ্রলোক ফটোগ্রাফার হয়ে গেলেন। সাংবাদিকের ভিড়ের মধ্যে মিশে গিয়ে তামিমের ছবি তুলতে চাইলেন। কিছুক্ষণ পর গ্যারেজের সেই সংবাদ সম্মেলনেও এমন আরও কয়েকজন ঢুকে পড়েন, যাঁরা আদতে সাংবাদিক নন। কেউ নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ দিচ্ছিলেন, কেউ তুলছিলেন ছবি।


মুমিনুলের মতো তামিমও তাঁর অধিনায়কত্বের ইতি টানার ঘোষণাটা দিলেন এমনই এক মঞ্চে। মুমিনুলের মতো তামিমও নিশ্চয়ই এ মঞ্চকে মনে রাখতে চাইবেন না। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে বোর্ড সভাপতির বাসার গ্যারেজ হয়ে থাকবে স্মরণীয় এক জায়গা। দুজন অধিনায়কের বিদায়ের মঞ্চায়ন যে হয়ে গেল এখানেই

পঞ্চগড়ে গভীর রাতে ব্যাংকের ভেতর গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

 পঞ্চগড়ে দায়িত্বরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ফিরোজ আহম্মেদ (২৫) নামের এক পুলিশ সদস্যের (কনস্টেবল) মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে পঞ্চগড় জেলা শহরের সোনালী ব্যাংকের ভেতরে গার্ডরুমে এ ঘটনা ঘটে।

নিজের কাছে থাকা রাইফেল দিয়ে গুলি করে ফিরোজ আহম্মেদ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে সুরতহাল শেষে ফিরোজের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

ফিরোজ আহম্মেদ দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পলি মির্জাপুর এলাকার আবু সাঈদের ছেলে। তিনি সোনালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাতে সোনালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার গার্ডরুমে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ফিরোজ আহম্মেদ। রাত সোয়া দুইটার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তাঁর অন্য সহকর্মীরা এসে ফিরোজকে গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাঁকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মির্জা সাইদুল ইসলাম বলেন, রাত আড়াইটার দিকে গুলিবিদ্ধ ওই পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে আনা হয়। এর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তাঁর মাথা, মুখ, নাক ও কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তাঁর থুতনির নিচে (গলার কাছে) ও মাথায় গুলির ক্ষত ছিল। ময়নাতদন্তসহ অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

চিত্র: কাল্পনিক